মালয়েশিয়ায় রিলোকেশন ৩ - শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

Posted on 26 Mar, 2019 in malaysia

পূর্ববর্তী পোস্ট মালয়েশিয়ায় রিলোকেশন ২ - ভিসার জন্য এপ্লাই করা

প্রিয় পাঠক, ধরে নিচ্ছি আপনার হাতে মালয়েশিয়ায় সিংগেল এন্ট্রি ভিসা রয়েছে। সাধারণত এই ভিসার মেয়াদ থাকে ৯০ দিন। অর্থাৎ আগামী ৩ মাসের মাঝে আপনাকে মালয়োশিয়া যেতে হবে। আপনার কোম্পানির HR এর সাথে যোগাযোগ করে জানিয়ে দিন আপনি কবে এনট্রি করবেন এবং কবে জয়েন করবেন। কেননা সেই অনুযায়ী আপনার থাকার ব্যাবস্থা করা হবে। সেই সাথে যত দ্রুত জয়েন করবেন, সেলারীও তত বেশী পাবেন। তবে মালয়েশিয়া পৌঁছে মিনিমাম ২-৩ দিন হাতে রাখা ভাল, কারণ নতুন জায়গায় গিয়ে রেস্টুরেন্ট চিনতে ও জরুরী জিনিসপত্র কিনতে আপনার সময় লাগবে। তাছাড়া মালয়েশিয়ায় বেশীরভাগ জায়গায়গ মাসের ২৫ তারিখে সেলারী দেওয়া হয়। সুতরাং আপনি ২০ বা ২২ তারিখে জয়েন করলে পরের মাসে বেতন পাবেন। সুতরাং সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন কবে যেতে চান।

ফ্লাইট বুকিং

মালয়েশিয়ায় শুধুমাত্র বিমানে যাওয়া যায় (ইমিগ্রেশনের জন্য)। সুতরাং আপনাকে ভিসা পাওয়া মাত্র সবার আগে বিমানের টিকেট কাটতে হবে। ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ, মালিন্দো এয়ার, এয়ার এশিয়া, ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্স, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স ইত্যাদি এয়ারলাইন্স মালয়েশিয়ায় যায়। টিকেটের প্রাইস অনুযায়ী সুবিধামত টিকেট করে ফেলুন। যদি আপনার কোম্পানি আপনার ট্রাভেল এক্সপেন্সেস বহন করে, তাহলে টিকেট নিজেই অনলাইনে কাটতে পারেন। কেননা ট্রাভেল ইটিনারির কপি আপনার পরবর্তীতে ক্লেইম করার জন্য দরকার হবে। আর মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশনের ঝামেলা সহজে পার হতে চাইলে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স বা জনপ্রিয় কোন এয়ারলাইন্সের টিকেট কাটতে পারেন। এতে অযাচিত প্রশ্নবাণ থেকে মুক্তি পেতেও পারেন।

ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘন্টা। আর মালয়েশিয়ার টাইমজোন UTC+8. যদি আপনি মালয়েশিয়ায় গিয়ে সরাসরি হোটেলে উঠতে চান, তাহলে বাংলাদেশ সময় ভোরে বা সকাল ৮-৯টার দিকে টিকেট কাটতে পারেন। তাহলে দুপুর ১২টার দিকে মালয়েশিয়া পৌঁছে চেকইন করতে পারবেন। যদি আপনার বাসা ভাড়া নেওয়া থাকে, এবং সরাসরি বাসায় উঠতে চান, অথবা কোন আত্মীয়দের বাসায় উঠতে চান, তাহলে মালয়েশিয়ায় কখন পৌঁছাবেন সেটা বিবেচনা করে নিন। কেননা মাঝরাতে আপনি খুব বেশী গাড়ি, খাবারের রেস্টুরেন্ট খোলা পাবেন না। তবে এয়ারপোর্টে রাতের বেলায় পৌঁছালে ভীড় বেশ কম থাকে। যেহেতু ফ্লাইটের পুরা সময়টা একটু লম্বা, আপনার পায়ের সমস্যা বা হাঁটুর সমস্যা থাকলে Extra Legroom সহ সিট বুক করতে পারেন। ফলে বিমানে পায়ের কাছে বেশী জায়গা থাকবে ও একটুপরপর পা সোজা করতে পারবেন। চাইলে বিজনেস ক্লাসও কেটে ফেলতে পারেন।

কেনাকাটা

বিদেশ যাওয়ার আগে সবাইই বেশ কিছু কেনাকাটা করে থাকে। আপনিও নিশ্চয়ই ব্যাতিক্রম হতে চান না। এবার কিছু টিপস দেই কি কি কিনবেন।

  • কয়েক সেট ফর্মাল ড্রেস কিনে নিতে পারেন। আপনার অফিসের ড্রেসকোড জেনে নিন। যদি তারা ক্যাজুয়াল ড্রেস সাপোর্ট করে, তাহলে জিন্স, শার্ট, জুতা এসব কিনে নিতে পারেন দরকারমত। তবে খুব বেশী পরিমাণে না কিনলেও চলে কারণ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের দামেই (বা কম দামে) ড্রেস কিনতে পাওয়া যায়।
  • যেহেতু মালয়েশিয়া ট্রপিকাল আবহাওয়ার দেশ, এখানে দিনের বেলা ৩০-৩২ আর রাতে ২৬-২৮ ডিগ্রী সে: টেম্পারেচার থাকে। সুতরাং দুইরকম জামাকাপড় কিনলে ভাল হয়। দিনে ঢিলেঢালা জামা আর রাতে একটু গরম কাপড় নেওয়া ভাল।
  • মালয়েশিয়ায় যখন তখন বৃষ্টিপাত হয়। তাই ছাতা বাধ্যতামূলক। সবার জন্য এক সেট করে ছাতা নিয়ে নিতে পারেন।
  • মালয়েশিয়ায় সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইস UK থ্রিপিন স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে। আপনার ফোন চার্জার, ল্যাপটপ চার্জার, হেয়ার ড্রায়ার সহ যা কিছু আছে, সবগুলার জন্য একটা করে প্লাগ কনভার্টার কিনে নিন।
  • এখানে বাংলাদেশের মত আলু, পেয়াঁজ, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ইত্যাদি সবই পাওয়া যায়। সুতরাং সেসব কিনে ব্যাগ ভারী না করাই ভাল হবে।
  • গ্যাসট্রিকের ঔষধ, ওরস্যালাইন, ব্যাথার ঔষধ, এন্টিবায়োটিক, হাত কাটলে জরুরী মলম, ডেটল ক্রিম, নেবানল, স্যানিটারী প্যাড, কটন বাড, ব্যান্ডএইড ইত্যাদি অন্তত একমাসের জন্য নিয়ে নিতে পারেন।
  • অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু, ওয়াশিং পাউডার, দুতিনটা সাবান, হ্যান্ড ওয়াশ ইত্যাদি নিয়ে নিতে পারেন প্রথম এক সপ্তাহ চলার জন্য।
  • বাইরে শেভ করা প্রেফার না করলে জিলেট মাক ৩ ও সেটার রিফিল ব্লেড কিনে নিতে পারেন।
  • ফ্যামিলি সহ আসলে রান্নার জন্য ফ্রাইপ্যান, হাঁড়ি, খাবার প্লেট, গ্লাস সেট, চামচ, স্প্যাচুলা ইত্যাদি সাথে আনতে পারেন।
  • সিম কার্ড বের করার জন্য পিন, আপনার ফোনের সিম স্লট অনুযায়ী এক্সট্রা কনভার্টার লাগলে কিনে ফেলুন। এয়ারপোর্টে নেমেই এটা কাজে লাগবে।

উপরে যা যা বললাম এগুলা (ছাতা, ড্রেস বাদে) কোনভাবেই কেবিন ব্যাগ (যেটা বিমানের সিটের উপরের বাংকারে রাখা যায়) এ নেওয়া যাবেনা। এগুলা অবশ্যই চেকড ব্যাগে (যেটা কার্গো হিসেবে যায়) দিতে হবে। কেবিন ব্যাগে কোনভাবেই ধারাল কিছু (চামচ, কলম, রেজর ইত্যাদি) নেওয়া যাবেনা। এমনকি ভর্তি পানির বোতলও নয়। আর সবকিছু লাগেজে নেওয়ার পর ওজন করে নিন। কেননা ওভারওয়েট হলে প্রতি কেজি ১০০০-২০০০ টাকা করে ফি দিতে হবে যা খুবই বেশী। সাধারণত চেকড ব্যাগ হিসেবে ৩০-৪০ কেজি আর কেবিন ব্যাগ হিসেবে ৭-১০ কেজি নেওয়া যায়। অনেক এয়ারলাইন্সে ২-৩ টির বেশী ব্যাগ নেওয়া যায়না। আপনার আপনার ফ্লাইট টিকেট থেকে বা কাস্টমার কেয়ার থেকে ডিটেইলস জেনে নিন।

টেকনিকাল ব্যাপার

মালয়েশিয়ায় যাবার পূর্বে ফোনে নিচের এপ গুলো ইন্সটল করে নিন। তাহলে ওখানে গিয়ে সুবিধা পাবেন।

  • Google Maps
  • Google Translate
  • Malay - English Translator
  • Grab - ইহা মালয়েশিয়ার উবার/পাঠাও
  • Moovit - গুগল ম্যাপসে সকল মালয়েশিয়ান রুটের ডিটেইলস সবসময় ঠিক দেখায়না। এটা দিয়ে মালয়েশিয়ান বাস, ট্রেনের রুট জানতে পারবেন।
  • KLIA Ekspress - কুয়ালালুমপুর এয়ারপোর্ট থেকে কুয়ালালুমপুর শহরের ট্রেনের এপ, টিকেট কেটে QR কোড দিয়েই স্টেশনে ঢুকতে পারবেন।
  • Skype | WhatsApp | imo - এয়ারপোর্টে পৌঁছে বাসায় কথা বলার জন্য, যার যেটা প্রেফারড আরকি।

যারা বিদেশ থেকে বাংলাদেশে সরাসরি মোবাইল নম্বরে কল দিতে চান (ফিচার ফোন ইউজার), তাদের জন্য Skype দিয়ে ৩ টাকা রেটে প্রতি মিনিট কথা বলতে পারেন। এটা ইউজ করার জন্য আপনি যাকে ফোন করবেন তার স্মার্টফোন থাকার প্রয়োজন নেই। জাস্ট রওনা দেওয়ার পূর্বে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে আপনার স্কাইপ একাউন্টে ৫ ডলার রিচার্জ করে নিন। এয়ারপোর্টে নেমে ফ্রি ওয়াইফাই দিয়ে আপনি যেকোন নম্বরে ১৫০-২০০ মিনিট কথা বলতে পারবেন।

আর্থিক প্রস্তুতি

মালয়েশিয়া এসে প্রথম মাস আপনাকে নিজ খরচে চলতে হবে কেননা সেলারী আপনি মাসের শেষে পাবেন। এমনকি PayDay এর আগে জয়েন করলেও ওই মাসের সেলারী পরের মাসে পাবার কথা। সুতরাং যথেষ্ট আর্থিক প্রস্তুতি নিয়ে আসা ভাল হবে। তার উপর এখানে এসেই শুরুতে আপনাকে নতুন অনেককিছু কিনতে হবে। যেমন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, খাবার, রান্নার জিনিসপত্র, বালিশ-চাদর-কাঁথা ইত্যাদি। দেশ থেকে অনেক কিছুই কিনে আনতে পারেন যদি লাগেজ ওয়েট লিমিট ক্রস না করে। নইলে এখানে এসে কিনতে হবে।

এর সাথে নিচের বিষয়গুলি বিবেচনা করুন।

  • স্টুডিও বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে হলে ২-৩ মাসের ভাড়া এডভান্সড বুকিং দিতে হয়, সাথে রানিং মাসের ভাড়া দিয়ে উঠতে হয়। কাজেই আপনার বাসা ভাড়া ১৫০০ রিংগিত হলে আপনাকে অন্তত ৩০০০ রিংগিত এডভান্সড আর বাসায় উঠার দিনই ১৫০০ রিংগিত দিয়ে উঠতে হবে। এখানে সবকিছু পেপারওয়ার্কের মাধ্যমে করা হয়। পেপারওয়ার্কের ফি ৩০০-৫০০ রিংগিত। এরপর আছে পানি, বিদ্যুতের ডিপোজিট যেটা ৩০-১০০ রিংগিত হতে পারে। সুতরাং মিনিমাম ৭০০০-১০০০০ রিংগিত (দেড় থেকে দুই লাখ টাকা) আপনাকে সাথে রাখতে হবে, মালয়েশিয়ায় ঢোকার সময়ই।
  • ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হলে যারা নন-মালয়েশিয়ান, তাদের জন্য শুরুতেই ৩০০-৪০০ রিংগিত ডিপোজিট কেটে নিবে।
  • ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় ২০০-৩০০ রিংগিত ইনিশিয়াল ডিপোজিট করা লাগতে পারে।
  • প্রতিটি সিমকার্ড কেনার সময় ৩০ রিংগিত রিচার্জ করতে হবে, প্রতি মাসে। সুতরাং দুজনের জন্য সিম কেনার সময়ই ৩০x২ রিংগিত লাগবে শুধু এয়ারটাইম কিনতে, সাথে সিমের চার্জ ১০x২ রিংগিত তো আছেই।
  • বাসায় নিজে রান্না করে খেলে পার পারসন মাসে ২০০-৩০০ রিংগিতে মোটামুটি খাবার খরচ হয়ে যাবে।
  • অফিসে লাঞ্চ টাইমে বাইরে খেলে পার ডে ১০-২০ রিংগিত খরচ হতে পারে।

উপরের সবকিছু যাচাই করে হিসাব করে নিন আপনার কত খরচ হতে পারে এবং সেই পরিমাণ টাকা রিংগিত বা ডলারে কনভার্ট করে নিয়ে আসুন। এয়ারপোর্টে হ্যারাজমেন্ট থেকে বাঁচতে সোনালী ব্যাংক বা যেকোন বেসরকারী ব্যাংক থেকে কারেন্সি কনভার্ট করে পাসপোর্টে সীলসহ এনডোর্স করে নিন। ডলার করার চেয়ে সরাসরি রিংগিত করে আনতে পারেন। তাহলে মালয়েশিয়া এসে কনভার্ট করার ঝামেলা থেকে বেঁচে যাবেন। সেই সাথে আসার সাথে সাথেই জিনিসপত্র কেনাকাটা, সিমকার্ড কেনা ইত্যাদি করতে পারবেন। আর আপনার যদি বাংলাদেশী ক্রেডিট কার্ড থাকে, তাহলে পাসপোর্টে ১০০০-২০০০ ডলার এনডোর্স করে কারেন্সি কনভার্ট করে রাখতে পারেন। তাহলে মালয়েশিয়া এসে বিভিন্ন ডিজিটাল সার্ভিস (ফোন রিচার্জ, গ্র্যাবের বিল দেওয়া, নেটফ্লিক্সের বিল দেওয়া) ইত্যাদি করতে পারবেন।

কাগজপত্রের প্রস্তুতি

আমি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া প্রবেশ পর্যন্ত কোন কাগজ প্রিন্ট করিনি। সবখানে সফট কপি (মোবাইলে পিডিএফ) দিয়ে কাজ চালিয়েছি। তবে আপনি চাইলে সবগুলার এককপি করে প্রিন্ট রাখতে পারেন। আটকে গেলে কাজে লাগবে। লিস্ট করে নিন কি কি নেওয়া উচিত।

  • সকলের পাসপোর্টের ফটোকপি (ইনফরমেশন পেজ আর ভিসা পেজ)
  • EP ও DP এর প্রিন্ট কপি
  • ফ্লাইটের ইটিনারী অথবা PNR নম্বর
  • কোম্পানির অফার লেটার (জরুরী)

এছাড়া নিচের জিনিসগুলো হাতের কাছে রাখতে পারেন (লিখিত বা ডিজিটাল ফর্ম)

  • কোম্পানির নাম, ফোন নং ও এড্রেস
  • যে হোটেল বা বাসায় উঠছেন তার নাম, ফোন নং ও এড্রেস
  • আপনার সহ সকলের ভিসা নম্বর (পাসপোর্টে মালয়েশিয়ান ট্রাভেল পারমিট স্টিকারে থাকে)

ডিজিটাল প্রস্তুতি

যেহেতু দেশের বাইরে আসছেন, কাজেই আপনার সিম কার্ড এখানে কাজ করবেনা এটাই স্বাভাবিক। তাই নিচের জিনিসগুলো আরেকবার চেক করে নিন।

  • আপনার ব্যাংক একাউন্টের ইমেইল, অনলাইন লগিন ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। OTP ও অন্যান্য জিনিস ইমেইলে ফরোয়ার্ড করা কিনা সেটা পারলে এনশিওর করুন। দরকার হলে আপনার ব্যাংকের এপ নামিয়ে লগিন করে নিন। তাহলে বাইরে গিয়েও আপনি পারচেজ ও অন্যান্য কাজ করতে পারবেন।
  • আপনার ইমেইলের জন্য যদি এসএমএস বেজড টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন থাকে তাহলে সাময়িকভাবে ডিজেবল করে নিতে পারেন। অথবা অফলাইন অথেনটিকেশন পিন সেট করে নিতে পারেন Google Authenticator বা Authy দিয়ে। একই বিষয় আপনার ফেসবুক, জিমেইল, লিংকডইন, গিটহাব, গিটল্যাব, এমাজন ইত্যাদি সব সার্ভিসের জন্য।
  • রোমিং অন করে নিতে চাইলে জেনে নিন আপনার অপারেটর মালয়েশিয়ান কোন অপারেটরে রোমিং সাপোর্ট করে। যেমন গ্রামীণফোন কানেকশন এখানকার ডিজি দিয়ে রোমিং করা যায়। তবে এজন্য ১০-২০ হাজার টাকা ডিপোজিট ও কিছু লিগ্যাল ফর্ম পূরণের বিষয় আছে। বিস্তারিত জানতে টেলকোর কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে নিন।
  • কোম্পানির সাথে যোগাযোগের সকল মেইল, সকল চ্যাট যাতে ফোনে অফলাইনেও এভেইলেবল থাকে, সেজন্য সব সিংক বা ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। বলা যায়না কখন কোন ইনফরমেশন দরকার হবে।

অনেক জ্ঞান দিয়ে ফেললাম। আপাতত এই পর্যন্তই। আরো কিছু মাথায় আসলে এড করে দিব। আপনারাও চাইলে সাজেশন দিতে পারেন কি কি করা উচিত। শুভকামনা রইল!

পরবর্তী পোস্ট মালয়েশিয়ায় রিলোকেশন ৪ - ইমিগ্রেশন